অনলাইন ডেস্ক | সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১ | প্রিন্ট | ১৪৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফাইল ছবি
বিজেপি নেতা রাহুল সিন্হা আজ বলেন, “৪ জন নয়, শীতলকুচিতে ৮ জনকে মেরে ফেলা উচিত ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। শুধু চারজন কে কেন মারল তার জন্য ওদের শোকজ করা উচিত।”
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যুর পর এ যেন এক নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতাদের মধ্যে
‘যারা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে বোমা ছোড়ে, মানুষকে ভোট দিতে দেয় না, তাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। আর কিছু করতে পারবেন না। মস্তানরাজ কায়েম করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার চেষ্টা করছেন। শীতুলকুচিতেও চেষ্টা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। আবার যদি করে, আবারও জবাব দেওয়া হবে,’ বলেন রাহুল সিন্হা যিনি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাবেক সভাপতি।
পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বিভাজনের রাজনীতি কে কে কাকে ছাপিয়ে যেতে পারেন। বিজেপির নেতাদের মধ্যে সেই প্রতিযোগিতা শুরু হয় রবিবার যখন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে। মমতা ব্যানার্জির দুষ্টু ছেলেদের কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি করে মেরেছে। বাড়াবাড়ি হলে সারা রাজ্যের জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে।’
আরেক নেতা সায়ন্তন বসু মমতা ব্যানার্জির ‘খেলা হবে’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে উনি বললেন খেলে শীতল কুঁচির খেলা খেলে দেবো।
এদিকে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। বিজেপি নেতাদের মন্তব্য সামনে আসার পর, নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল।
সোমবার রানাঘাটের সভা থেকে খোদ দলনেত্রী এ নিয়ে মুখ খোলেন। ‘‘এই হল বিজেপি-র নেতা। গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়ে বলছে, ৪ জনের জায়গায় ৮ জনকে মারা উচিত ছিল! এরা দেশের নেতা হবে? এদের আপনারা ভোট দেবেন? আপনারা নিশ্চয়ই চান, আমরা শান্তিতে থাকি। গুলি করে যেন মানুষ মারতে না হয়। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’’
তিনি আরো বলেন বিজেপির এই নেতাদের ‘ব্যান্ড’ করা উচিত।