শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায় ভারত

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বুধবার, ১৩ জুলাই ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১০১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর পূর্ণরূপে ব্যবহার করতে চায় ভারত। এ জন্য আগামী আগস্ট মাসে চারটি পরীক্ষামূলক ট্রিপ (ট্রায়াল রান) পরিচালনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে পার্শ্ববর্তী দেশটি। এ বিষয়ে বাংলাদেশও প্রস্তুত হচ্ছে। সে জন্য ১৯ জুলাই একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আহ্বান করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে হওয়া ‘এগ্রিমেন্ট অন দি ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ শীর্ষক চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করবে ভারত। এ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান দুই সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে ভারত তার পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোয় পণ্য পরিবহন করার সুযোগ পাবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রোটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেডের (পিআইডব্লিটিটি) বৈঠকে ২০১৮ সালের অক্টোবরে ভারতের দিল্লিতে এ চুক্তি হয়। বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও ভারতের জাহাজ মন্ত্রণালয় এ চুক্তি করে। দুই দেশই বিশ্বাস করে এ চুক্তির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে। উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ।

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ দুই দেশের মোট বাণিজ্যের মাত্র ৫ শতাংশ। অথচ সম্ভাবনা প্রচুর। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতেই নদীকেন্দ্রিক বাণিজ্য বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারত বাংলাদেশকে ফি দেবে। হ্যান্ডলিং চার্জ, ট্রানজিট ফি ইত্যাদির জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা ‘এসওপি’ ঠিক করা হয়েছে।

তবে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলে আসছেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রয়োজনীয় আমদানি-রপ্তানির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। সে অবস্থায় বন্দরের সক্ষমতা না বাড়িয়ে ভারতের মতো বড় দেশকে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হলে তা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ জন্য ব্যবসায়ীরা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office