শিরোনাম
বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি : বিজিএমইএ সভাপতি রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি বন্ধ, চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু: ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ

বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী এখন চীনের

অনলাইন ডেস্ক   |   রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৯৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়ার পথে রয়েছে চীন। সামরিক দিক থেকেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য মহাপরিকল্পনা করছে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সাবমেরিন যুক্ত করে নৌবাহিনীর শক্তিমত্তা বাড়িয়েই চলেছে চীন। এরই ধারাবাহিকতায় সক্ষমতায় মার্কিন নৌবাহিনীকে ছাড়িয়েছে চীন।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী চীনের। সাবমেরিন, এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, যুদ্ধবিমান, উভচর জাহাজ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সাবমেরিন এবং পোলার আইস ব্রেকার—উদ্বেগজনক গতিতে চীন নির্মাণ করে চলছে। এর মধ্যে টাইপ ০৫৫ এর মতো বিধ্বংসী জাহাজ আছে। যাকে বিশ্লেষকরা বলেছেন মার্কিন টিকানডেরোগা-ক্লাস ক্রুজারের চাইতেও উন্নত।

আবার উপকূল আক্রমণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি জাহাজের সাহায্যে চীন কাছাকাছি যেকোনো বিদেশি উপকূলে হাজার হাজার সেনা মোতায়েনের সক্ষমতাও অর্জন করেছে।

বিশ্বে মার্কিন নৌবাহিনী শ্রেষ্ঠত্ব হারাতে বসেছে। তবে, এখনও সেনা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীতে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার সেনা আছেন। অন্যদিকে চীনের নৌবাহিনীতে আছে ২ লাখ ৫০ লাখ সেনা। জানা যায়, ২০১৮ সালে পিপলস লিবারেশন আর্মি এপ্রিল মাসে দেশটি সবচেয়ে বড় নৌ মহড়া করে। ওই মহড়ায় ৪৮টি নৌবহর, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও ১০ হাজার সেনা অংশ নেয়।

২০১৫ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পিপলস লিবারেশন আর্মিকে বিশ্বমানের বাহিনীতে পরিণত করতে একটি বড় প্রকল্প হাতে নেন। তিনি শিপইয়ার্ড ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বিনিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন, যে উদ্যোগ এখনও অব্যাহত আছে। এর মধ্যেই চীনের জাহাজ নির্মাণ প্রকৌশল এরই মধ্যে পৃথিবীতে সাড়া ফেলেছে। প্রেসিডেন্ট শি’র ওই পরিকল্পনা কাজে লেগেছে। ২০১৫ তে কাজ শুরু করে এখন বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী চীনের। আকার বাড়ানোর পর এখন সামরিক প্রযুক্তি আধুনিকায়নের কাজ করছে দেশটি।

ইউএস অফিস অব নেভাল ইন্টেলিজেন্স (ওএনআই) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে চীনা নৌবাহিনীর বহরে ২৫৫টি যুদ্ধজাহাজ ছিল। ২০২০ সালের শেষের দিকে জাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৩৬০ এ দাঁড়িয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মধ্যে চীনের নৌবহরে ৪০০টি জাহাজ থাকবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের নৌবহরে ৩৫৫টি জাহাজ রাখার পরিকল্পনা। হিসাব বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের কাছে ৬০টি জাহাজ বেশি আছে। আগামী চার বছর পর, চীনের কাছে ৪০০টি যুদ্ধজাহাজ থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ওএনআই। ডিসেম্বরে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের নেভি, মেরিনস ও কোস্ট গার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের নৌবাহিনী মাত্র দুই দশকে তিন গুণের বেশি যুদ্ধজাহাজ বাড়িয়েছে। সূত্র: সিএনএন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office