শিরোনাম
বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি : বিজিএমইএ সভাপতি রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি বন্ধ, চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু: ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ

কাঁচা পাট সংগ্রহে উৎসে কর প্রত্যাহার চান মিল মালিকরা

অর্থনীতি ডেস্ক   |   সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৮৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহীত ছবি

অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের মতো পাটপণ্য রপ্তানিতেও ১ শতাংশ উৎসে কর কর্তন করা হয়। এ ছাড়াও কৃষক পর্যায় থেকে পাট সংগ্রহের সময় ২ শতাংশ হারে কর কর্তন করা হচ্ছে। বাড়তি এই ৩ শতাংশ হারে উৎসে করের কারণে ঠিক সমপরিমাণ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। এতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মার খাচ্ছে দেশের পাটপণ্য। সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক।

এ পরিস্থিতিতে কৃষক পর্যায় থেকে পাট সংগ্রহের সময় উৎসে কর প্রত্যাহার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি দিয়েছে বেসরকারি পাটকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ)। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে পাট খাতের সমস্যা এবং তাঁদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন বিজেএমএ নেতারা। একই বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের সঙ্গেও দেখা করেছেন তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, পাটকলগুলো সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কাঁচা পাট সংগ্রহ করে শতভাগ মূল্য সংযোজন করে থাকে। এর মাধ্যমে পাটপণ্য রপ্তানি এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা হয়। পাট বুনন থেকে বাজারজাত করা পর্যন্ত পাঁচ পর্যায়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থ সরবরাহ হয়ে থাকে। যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সুবিধা পান চার থেকে পাঁচ কোটি কৃষক-শ্রমিক। তবে ২০১৯ সাল থেকে ২ শতাংশ হারে উৎসে করারোপের কারণে পাটচাষি, শ্রমিক ও উদ্যোক্তারা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই দেশের গরিব কৃষক-শ্রমিককে বাঁচাতে পাট সংগ্রহ পর্যায়ে আরোপিত ২ শতাংশ কর প্রত্যাহার করা দরকার।

বিজেএমএর মহাসচিব আব্দুল বারেক খান বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক। কারণ ব্যয়ের বিষয়টি মাথায় রেখেই কৃষকের কাছ থেকে পাট সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়াও তিনি বলেন, ২০১৬ সালে পাটকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করা হলেও আজ পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএএফ) থেকে পাট খাত ঋণ পায় না। এটিও বৈষম্য। এমনিতেই ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক্ক আরোপের কারণে সংকটে আছে পাট খাত।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office