শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

আজও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট বা দাম বাড়তে পারে— এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় করছেন ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চালকরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের পর শনিবারের মতো রবিবারও (৮ মার্চ) ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে তেল না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক মানুষ। পেট্রোল পাম্প মালিকদের অভিযোগ— বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় শনিবার ডিপো থেকে পাম্পে তেল সরবরাহ না করায় সংকট আরও বেড়েছে।

রাজধানীর পান্থপথে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা মাসুম বিল্লাহ বলেন, “কাল কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাইনি। পরশুও একই অবস্থা। তেলে না থাকায় আজকে আর মোটরসাইকেল বের করতে পারিনি। বাধ্য হয়ে জ্যাম ঠেলে বাসে করে আজ অফিসে এসেছি।’’

তিনি বলেন, “সরকার বলছে মজুত আছে, কিন্তু পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। রাস্তায় রাইড শেয়ারের গাড়িও কমে গেছে আজ। মিরপুরের সনি স্কয়ার থেলে ধানমন্ডি ২৭ পর্যন্ত যতগুলা পাম্প আছে সব বন্ধ। আর অন্য এলাকায় যেগুলা খোলা আছে, সেগুলাতে ছিল মাইলখানেক লম্বা লাইন।’’

এ অভিযোগ শুধু তার একার নয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনেকেই পাম্প ঘুরেও তেল পাননি। কেউ কেউ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরে গেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কিছু পাম্পে তেল না থাকায় সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও গাড়ির দীর্ঘ সারি পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত চলে গেছে।

পাম্প সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা জানান, গুজব বা আশঙ্কার কারণে গত তিন দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি তেল বিক্রি হয়েছে। ফলে অনেক পাম্পে মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির (একাংশের) সভাপতি মিজানুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘আতঙ্কের কারণে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিয়েছেন। এতে করে অনেক পাম্পে তেল শেষ হয়ে গেছে। শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় সাধারণত তেলবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় পাম্পে তেল সরবরাহ করা হয় না। এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করলেই এই সমস্যা হতো না।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দরকার চার গাড়ি। দিচ্ছে এক গাড়ি তেল। ফলে সময়ের অনেক আগেই পাম্পে তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে। এই রেশনিংয়ের ভোগান্তি পোহাচ্ছি আমরা। তেল দিতে না পারায় গ্রাহকদের পিটুনিও খেতে হচ্ছে আমাদের। চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করার পাশাপাশি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা দরকার।’’

এদিকে বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। চলতি ও আগামী মাসের আমদানিও নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। আগামী সোমবার আরও দুটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিল পর্যন্ত ২ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফলে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

বিপিসির এক কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত পেট্রোলের প্রায় পুরোটাই এবং অকটেনের বড় অংশ দেশেই উৎপাদিত হয়। ফলে এ দুই ধরনের জ্বালানি তেল নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office