শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

খেলাপি আতঙ্কে ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণ কমেছে : ডিসিসিআই সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৬২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের আতঙ্কে ঋণ বিতরণ কমেছে বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশে শিল্প খাতে খেলাপি ঋণের হার ৩১.২ শতাংশে পৌঁছানোয় ব্যাংকগুলো এখন চরম আতঙ্কে ভুগছে। এ কারণে তারা নতুন করে ঋণ দিতে পারছে না। ব্যাংকগুলো এখন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতেও অনীহা দেখাচ্ছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাতের সমন্বয়: ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এতে আরও বক্তব্য রাখেন ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট) নওশাদ মোস্তফা, এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুল আরেফিন, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

তাসকীন আহমেদ বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে ৬.০৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের ৭.১৫ শতাংশের তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে শিল্প খাতের ৫০.৪৬ শতাংশ ঋণ অনাদায়ী এবং খেলাপি ঋণের হার ৩১.২ শতাংশে পৌঁছানোয় ব্যাংকগুলো চরম আতঙ্কে ভুগছে। এ ছাড়া ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নেওয়া ঋণের ৩৫.৪৩ শতাংশ এখন সময়মতো পরিশোধ না হওয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়েছে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, আমাদের ব্যাংকিং সিস্টেমে তারল্যের কোনো অভাব নেই; ব্যাংকগুলোতে বর্তমানে ৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৪ কোটি টাকার তারল্য সম্পদ এবং রেকর্ড ৩ লাখ ২১ হাজার ২৫৫ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। ব্যাংক খাতের তারল্যের অন্যান্য সূচকগুলোও অত্যন্ত শক্তিশালী; লিকুইডিটি কভারেজ রেশিও দাঁড়িয়েছে ১৮৫.৩১ শতাংশ, যা ন্যূনতম চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ। এ ছাড়া নেট স্ট্যাবল ফান্ডিং রেশিও ১০৫.৬৫ শতাংশ এবং আমানত প্রবৃদ্ধি এক বছর আগের ৮.২৮ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন ১০.৪৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, পাবলিক সেক্টর ক্রেডিট গ্রোথ অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে ২৬.১৫ শতাংশে পৌঁছেছে। জুলাই-জানুয়ারি সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ৭৩ হাজার ৩৫ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ (যা গত বছরের তুলনায় ৬৭৩ শতাংশ বেশি) প্রমাণ করে যে ব্যাংকগুলো এখন ‘রিস্ক-ফ্রি লেন্ডিং’-কে প্রাধান্য দিচ্ছে। এই প্রবণতা বেসরকারি খাতকে ঋণবঞ্চিত করে একটি চরম ‘ক্রেডিট ক্রাউডিং আউট’ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office