শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান
প্তানিমুখী পোশাকশিল্প

নীতিসহায়তা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান বিজিএমইএ’র

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৮৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

দেশের রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের চলমান বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিসহায়তা জোরদার এবং বিশেষ প্রণোদনার আওতায় আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বিজিএমইএ’র একটি প্রতিনিধিদল এসব দাবি তুলে ধরে।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান। এসময় সাবেক সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং জনসংযোগ ও প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ কবিরসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তপাদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে বিজিএমইএ নেতারা জানান, ২০২৫ সালের বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা বিআরপিডি সার্কুলারের আওতায় নীতি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে খেলাপি হিসাব নির্ধারণের সময়সীমা ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সে তারণে তারা এই সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৬ সালেল ৩১ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। তাদের মতে, এতে করে আরও বেশি সংখ্যক রুগ্ন ও সমস্যাগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনর্বাসনের সুযোগ পাবে এবং ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণও কমবে, যা সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতা জোরদারে সহায়ক হবে।

এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত নীতি সহায়তা বাস্তবায়নে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিজিএমইএ নেতারা। তারা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো যথাসময়ে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রদান জরুরি।

বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধিরও আহ্বান জানান। তাদের মতে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সময় বাড়ানো প্রয়োজন। এতে করে বাস্তবভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন সম্ভব হবে এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে।

বিজিএমইএ’র উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ। তিনি বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office