শনিবার ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

আধুনিক কারিকুলাম ছাড়া টেক্সটাইল শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ২৩ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

আধুনিক কারিকুলাম ছাড়া টেক্সটাইল শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

বস্ত্র আধুনিক কারিকুলাম ছাড়া টেক্সটাইল শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, শিল্পখাতের চাহিদা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেক্সটাইল শিক্ষার পাঠ্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই করতে হলে শিল্পখাতকে প্রতিযোগিতাসক্ষম ও আধুনিক করতে হবে। শিল্প যদি সংকটে থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না।

তিনি বলেন, সরকার নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না। ব্যবসা পরিচালনা করবে ব্যক্তিখাত, আর সরকার নীতিসহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে।

বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর কারিকুলাম সময়োপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়নে বিটিএমএ ও সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে শিক্ষকের ঘাটতি কমবে, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উৎপাদন ব্যয়, কস্ট অব ফান্ড এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা বর্তমানে টেক্সটাইল খাতের বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে উন্নয়নের মাধ্যমে খাতটিকে আরও প্রতিযোগিতাসক্ষম করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডক্টর আব্বাসউদ্দীন শায়ক। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন কাজী মাসুম রাশেদ এবং শওকত আজীজ রাসেল।

এছাড়া বক্তব্য দেন ডক্টর আব্দুস শহীদ, গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী রনি গাজী এবং সিরাজগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ কবির।

সেমিনারে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার প্রধান, বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা এবং টেক্সটাইল খাতের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office