শিরোনাম
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি গত পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি শরীফপুর ইউনিয়নে শামছুল হকের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এবারও দুর্গাপূজায় ইলিশ চায় ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

এবারও দুর্গাপূজায় ইলিশ চায় ভারত

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবারও বাংলাদেশের ইলিশ চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। ইলিশ পাঠানোর অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ভারতের এই ব্যবসায়ী সংগঠন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পৃথকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, পূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রপ্তানির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। তবে কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি।

এদিকে এরই মধ্যে বাংলাদেশের ১৮ প্রতিষ্ঠান ভারতে ইলিশ রপ্তানির জন্য আবেদন জানিয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় চিঠি পাঠাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চিঠি পেয়েছি। তবে কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা যায়, তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চিঠিতে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের পর থেকে প্রতি বছর গড়ে পাঁচ হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হচ্ছিল। কিন্তু ২০১২ সালের পর থেকে অজ্ঞাত কারণে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকার কেবল দুর্গাপূজার সময় নির্দিষ্ট এক মাসের জন্য ইলিশ রপ্তানির বিশেষ অনুমতি দিয়ে আসছে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই স্বল্পমেয়াদি ও সীমিত অনুমতি শেষ পর্যন্ত কার্যকর কোনো সুফল বয়ে আনে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলেও এবার তা আরও আগে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দীর্ঘ বিরতির পর ভারতে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ। এরপর ২০২০ সালে ১ হাজার ৮৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও পরিমাণ অনুযায়ী রপ্তানি হয়নি। ২০২১ সালে ৪ হাজার ৬০০ টন অনুমোদনের বিপরীতে ভারতে পাঠানো হয় ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ।

২০২২ সালে ২ হাজার ৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে বাস্তবে রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টন। ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও ভারতে গেছে ১ হাজার ৩০০ টন। ২০২৫ সালে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫৭৭ টন। সর্বশেষ গত বছর ১ হাজার ২০০ টন রপ্তানির অনুমোদনের বিপরীতে ভারতে গেছে মাত্র ১৫০ টন ইলিশ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office