শিরোনাম
গুলিস্তানে ডিএসসিসির অভিযানে শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদ রমজানে বাজার স্থিতিশীল থাকবে, ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বহুমুখীকরণে ১৫-১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫ দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা প্রদানকারীদের এর পরিণতি ভোগ করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা কুলাউড়ায় হাজীপুর ইউনিয়ন প্রবাসী পরিষদের আংশিক কমিটি গঠন জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

রপ্তানি বহুমুখীকরণে ১৫-১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রপ্তানি বহুমুখীকরণে ১৫-১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি

 

দেশের রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে আগামী ১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করতে যাচ্ছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে (বিসিএফইসি) তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ইপিবি আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি উৎপাদক, রপ্তানিকারক, আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বাণিজ্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা উৎপাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরা হবে।

এবারের প্রদর্শনীতে রপ্তানিমুখী ১২টি খাতের ২০০টির বেশি স্টল থাকবে। গত বছর প্রথমবারের আয়োজনে আটটি খাতের পণ্য প্রদর্শিত হয়েছিল। তৈরি পোশাকশিল্পের বাইরে অন্যান্য খাতেও রপ্তানি সম্প্রসারণে সরকারের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি এ উদ্যোগে প্রতিফলিত হয়েছে।

হাসান আরিফ বলেন, এ প্রদর্শনী বাংলাদেশের উৎপাদকদের সঙ্গে বিদেশি ক্রেতাদের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, প্রতিকূল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয় ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটি দেশের রপ্তানিকারক ও উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা ও দৃঢ়তার পরিচায়ক।

এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে উৎপাদকরা নতুন ব্যবসার সুযোগ খুঁজে পাবেন, অধিক মূল্য সংযোজিত পণ্য তুলে ধরতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

দ্বিতীয়বারের এ আয়োজনে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হস্তশিল্প ও পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য ও রান্নাঘরের সামগ্রী, আসবাব ও গৃহসজ্জা, ওষুধ, কৃষি ও কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কাগজ ও মোড়কজাতকরণ, মোটরযান, হালকা প্রকৌশল এবং সিরামিক ও টেবিলওয়্যার খাতের পণ্য প্রদর্শিত হবে।

এ সম্প্রসারিত আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্পভিত্তির বৈচিত্র্য তুলে ধরা এবং প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের বাইরেও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রথমবারের প্রদর্শনীতে ১২৫টি প্রতিষ্ঠান ১৬৪টি স্টল নিয়ে অংশ নিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার স্টলের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে ইপিবি।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা যেখানে সাধারণ ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের জন্যও উন্মুক্ত, সেখানে বৈশ্বিক পণ্য সংগ্রহ প্রদর্শনীটি মূলত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ (বি-টু-বি) বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজন করা হচ্ছে।

এর প্রধান উদ্দেশ্য দেশীয় উৎপাদকদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আমদানিকারক, পণ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক অংশীদারের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা।

এ প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য প্রদর্শন, পণ্যের ধরন ও মূল্য নিয়ে আলোচনা, সরবরাহের ব্যবস্থা নির্ধারণ এবং বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সহযোগিতার সুযোগ খুঁজতে পারবে।

এছাড়াও, বৈশ্বিক পণ্য সংগ্রহ প্রদর্শনীর পর আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ অ্যাপারেল অ্যান্ড টেক্সটাইল এক্সপোজিশন (ব্যাটেক্সপো)।

হাসান আরিফ বলেন, পরপর দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর আয়োজনের ফলে বিদেশি ক্রেতারা এক সফরেই বাংলাদেশের একাধিক রপ্তানিমুখী খাত পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন। এতে তাদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ব্যবস্থা ক্রেতাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের প্রচারমূলক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে।

বৈশ্বিক পণ্য সংগ্রহ প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পরবর্তী সময়ে ব্যাটেক্সপোতে দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগে অন্যান্য উৎপাদন খাতের পণ্যও দেখার সুযোগ পাবেন।

একই সফরে একাধিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার সুযোগ বিদেশি পণ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্য প্রতিনিধিদের বাংলাদেশ সফরকে আরও সুবিধাজনক করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করতে নিবন্ধিত বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য আবাসন ও বিমানভাড়ায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইপিবি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নিবন্ধিত বিদেশি প্রতিনিধিরা ঢাকার অংশগ্রহণকারী পাঁচ তারকা হোটেলগুলোতে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেতে পারেন।

এ ছাড়া জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা ও বেসরকারি বাংলাদেশি বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মূল বিমানভাড়ায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপনের ব্যবস্থাও গড়ে তুলছে ইপিবি। এর মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশে আসার আগেই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য জানতে এবং ব্যবসায়িক বৈঠকের সময় নির্ধারণ করতে পারবেন।

আগাম বৈঠকের এ ব্যবস্থা প্রদর্শনীতে ক্রেতাদের সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্ভাব্য ক্রেতা শনাক্ত করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য কারখানা পরিদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। এর মাধ্যমে তারা ওষুধ ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের উৎপাদনব্যবস্থা সরেজমিনে দেখতে পারবেন।

কারখানা পরিদর্শনের সুযোগ সম্ভাব্য আমদানিকারকদের উৎপাদনপ্রক্রিয়া, পণ্যের গুণগত মান এবং চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাই করতে সহায়তা করবে।

পণ্য প্রদর্শন ও ব্যবসায়িক বৈঠকের পাশাপাশি তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে-এমন বিভিন্ন বাণিজ্যনীতি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

সেমিনারে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ-পরবর্তী প্রস্তুতি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) প্রস্তুতি, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিসহ (ইপিএ) বিভিন্ন অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, যুক্তরাজ্যের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য কর্মসূচি (ডিসিটিএস) এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়গুলো আলোচনায় আসবে।

বাজারে প্রবেশাধিকার, বাণিজ্য সুবিধা, নিয়ন্ত্রক শর্ত এবং পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এসব সেমিনারে আলোচনা হবে।

নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের শর্ত ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পর্কে রপ্তানিকারকদের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়েও নীতিনির্ধারক, রপ্তানিকারক ও বাণিজ্য প্রতিনিধিরা মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

প্রদর্শনীতে বিদেশি প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা, যৌথ বাণিজ্য চেম্বার এবং ক্রেতা সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ইপিবি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইউরোপের পর্তুগাল, ফ্রান্স, স্পেন ও যুক্তরাজ্য, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আফগানিস্তান এবং আমেরিকা অঞ্চলের আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে সম্ভাব্য প্রতিনিধিদলের প্রাথমিক ইতিবাচক সাড়া ও অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে।

এসব দেশের ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, ক্রেতাদের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা লাভ এবং নতুন রপ্তানি বাজার চিহ্নিত করার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ দেশীয় উৎপাদকদের সঙ্গে বিদেশি পণ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ বাড়াতেও সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানি সম্ভাবনা তুলে ধরতে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকে প্রদর্শনীটির ব্যাপক প্রচারের আহ্বান জানান হাসান আরিফ।

বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি ভিত্তি সম্প্রসারণ, তৈরি পোশাকবহির্ভূত খাতের অবদান বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে।

বিভিন্ন শিল্পখাতকে একটি বিশেষায়িত পণ্য সংগ্রহের প্ল্যাটফর্মে একত্র করার মাধ্যমে ইপিবি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইপিবির মহাপরিচালক-১ মোহাম্মদ শাফায়াত উল্লাহ বক্তব্য দেন। ইপিবির মেলা ও প্রদর্শনী বিভাগের পরিচালক (উপসচিব) মো. ওয়ারেস হোসেন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office