শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না

অনলাইন ডেস্ক:   |   সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ২৪১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

শীতের সবজি ফাইল ছবি

রংপুরের বাজারে শীতের সবজি প্রতিটি দোকানে থরে থরে সাজানো। সরবরাহও বেড়েছে। খেত থেকে আসা টাটকা সব সবজি। এর মধ্যে উঠেছে নতুন আলু, কিন্তু দাম চড়া। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের দামও অপরিবর্তিত। শীতের সবজির দাম নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে।

আজ সোমবার সকালে রংপুর শহরের সিটি বাজার, ধাপ বাজার ও মুলাটোল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন আলুর প্রতি ক্রেতাদের চাহিদা বেশি। দাম যাচাই-বাছাই করলেও ব্যবসায়ীদের এক দর বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা নতুন আলু বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ৫০ টাকায়। আর পুরোনো আলু আগের মতোই ২৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

সিটি বাজারে একজন ক্রেতা রেজাউল করিম বলেন, শীতের সবজি হিসেবে নতুন আলুর স্বাদ কিছুটা ভিন্ন হওয়ায় এর চাহিদা থাকে। তাই এক কেজি আলু ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো।

নতুন আলুর দাম অনেকটা বেশি হওয়া প্রসঙ্গে এই বাজারের একজন ব্যবসায়ী আতোয়ার মিয়া বলেন, এক সপ্তাহ হলো নতুন আলু বাজারে এসেছে। তাই একটু দাম। কয়েক দিনের মধ্যেই দাম কমে যাবে।

এদিকে এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হওয়া ৬০ টাকা কেজির শিমের দাম কমে গিয়ে প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিদরে। টমেটোয় হাত দেওয়া যায় না।

পাকা টমেটো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুব একটা কমেনি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম। ফুলকপি এখনো ৪০ টাকা ও বাঁধাকপিও কেজি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ৬০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে বরবটি। বিভিন্ন শাকের আঁটি গড়ে ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম অপরিবর্তিত আছে। দেশি মুরগি ৪০০ টাকা কেজি। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা। আর পাকিস্তানি কক ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজিদরে।

বাজারে প্রচুর পরিমাণে মাছ উঠেছে, কিন্তু দাম কমেনি। আগের মতোই রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ২৬০ থেকে ৩৩০ টাকায়। প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছও। বিভিন্ন প্রকারের ছোট মাছের প্রতি ক্রেতাদের চাহিদা থাকায় এসব মাছের দামও চড়া। শোল মাছ ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা। তবে একমাত্র তেলাপিয়া মাছের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে। ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিদরে এই মাছ বিক্রি হচ্ছে। সোয়া কেজি থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশ মাছ ১ হাজার ২০০ টাকা আর ছোট ইলিশ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতে আসা ক্রেতা শুভাশীষ গুপ্ত বলেন, ‘বড় ইলিশের দাম কমছেই না। শখ করে মাছটি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিদরে কিনতে হলো ঠিকই, অন্য বাজার কমিয়ে নিতে হবে।’

গরুর মাংসের দাম আগের মতোই রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকা পর্যন্ত। আর খাসির মাংস কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office