শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এবারও পুরোপুরি প্রস্তুত নয় চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৯৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

কোরবানির পশুর চামড়ার জন্য সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) এবারও পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে মনে করছেন ট্যানারি মালিকরা। তাঁরা বলছেন, সিইটিপির সার্বিক ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে কিছুটা ভালো হলেও সব কারখানা একযোগে উৎপাদন শুরু করলে বর্জ্য পরিশোধনের পুরো চাপ নিতে সমস্যা হবে সিইটিপির। কারণ, এর ধারণ ক্ষমতা কম। তা ছাড়া ক্রোমিয়াম বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি এখনও সম্পন্ন হয়নি। কঠিন বর্জ্য ডাম্পিং করার জন্য হয়নি স্থায়ী কোনো সমাধান। সবমিলিয়ে গত বছরের মতো এবারও এ নিয়ে নানা শঙ্কায় রয়েছে সাভারের ট্যানারি প্রতিষ্ঠানগুলো।

তবে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, কিছু ত্রুটি থাকলেও এবার প্রস্তুতি অনেক বেশি। ইতোমধ্যে সিইটিপি পরিস্কার করা হয়েছে। কঠিন বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য পুকুরও খনন করা হয়েছে। ফলে আগের মতো দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে না ব্যবসায়ী ও শিল্প মালিকদের। পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের মাত্রাও কমে যাবে।
কর্তৃপক্ষের হিসাবে, সিইটিপির বর্জ্য পরিশোধনের ধারণ ক্ষমতা ২৫ হাজার ঘনমিটার। তবে ট্যানারি মালিকদের অনেকের অনুমান, এটি ১৫ হাজার ঘনমিটারের বেশি নয়। কিন্তু কোরবানির সময় ট্যানারিগুলোর বর্জ্য তৈরি হয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার ঘনমিটার।

বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি এম এ আউয়াল বলেন, সিইটিপির ধারণক্ষমতা কম। কোরবানির সময় চাপ অনেক বেড়ে যায়। এ ছাড়া ক্রোমিয়াম বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি এখনও পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি।
সাভার শিল্পনগরীর এক ট্যানারি মালিক বলেন, সিইটিপির ওপর চাপ কমাতে উৎপাদন ক্ষমতা কমালে অনেক চামড়া নষ্ট হয়ে যাবে। কারণ, এখন গরম পড়ছে। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়বেন।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, আগের কয়েক বছরের তুলনায় সিইটিপির ব্যবস্থাপনা এখন ভালো। তবে পানি ধারণ ক্ষমতায় কিছু সমস্যা আছে। এটা এখনও আন্তর্জাতিক মানের হয়ে ওঠেনি।
সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে সিইটিপি পরিচালনায় গঠন করা হয়েছে ঢাকা ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট কোম্পানি। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাক আহমেদ বলেন, কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা, বর্জ্য পরিশোধন ও কঠিন বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে চামড়া শিল্পনগরী এই মুহূর্তে বেশি প্রস্তুত রয়েছে। তবে সিইটিপির ওপর চাপ কমাতে এবার রেশনিং ব্যবস্থা করা হয়েছে। ট্যানারিগুলো ধাপে ধাপে বর্জ্য পরিশোধন করবে।
তিনি বলেন, সিইটিপির লাইনগুলোতে অনেক বর্জ্য জমা হয়ে আটকে ছিল। কিন্তু কয়েক দিন আগে তা পরিস্কার করা হয়েছে। আবার কোনো কোনো ট্যানারি তরল ও কঠিন বর্জ্য দুটোই একই লাইনে ছেড়ে দেয়। এতে বর্জ্য আটকে যায়। তাই এবার যেন তা না করা হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কঠিন বর্জ্যগুলো ডাম্পিংয়ের জন্য বড় একটি পুকুর খনন করা হয়েছে। পরে স্থায়ী সমাধান করা হবে।

নদী ও পরিবেশ দূষণ কমাতে রাজধানীর হাজারীবাগের ট্যানারিগুলোকে সাভারের হেমায়েতপুরে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ
নেওয়া হয় ২০০৩ সালে। তবে নানা জটিলতা ও সমস্যায় বিসিকের এ-সংক্রান্ত প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ১৭ বছরে। এতে ব্যয় হয় ১ হাজার
১৫ কোটি টাকা। বর্তমানে সেখানে ১৩৯টি ট্যানারি রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office