শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

একই মানের চাল প্যাকেটজাত করে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি দাম

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বুধবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১০৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

একই মানের চাল শুধু প্যাকেটজাত করেই খোলা বাজারের চেয়ে ৩০ শতাংশেরও বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভোক্তাদের ঠকিয়ে বাড়তি মুনাফা করছে সুপারশপসহ এ ধরনের প্যাকেটজাত পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো। অন্যদিকে প্যাকেটজাত চালের বেশি দামের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে খোলা বাজারে। এতে বেড়ে যাচ্ছে চালের দাম। একইভাবে চিনি, লবণসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও প্যাকেটজাত করে বাড়তি মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরা। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক পর্যবেক্ষণে খোলা ও প্যাকেটজাত পণ্যের দামের এই ফারাক উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরে বিভিন্ন কোম্পানির সুপারশপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দামের পার্থক্যের চিত্র তুলে ধরেন সংস্থাটির মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, চালসহ নিত্যপণ্যের খোলা ও প্যাকেটজাত অবস্থায় দামের অসংগতি দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল খোলা অবস্থায় গড়ে ৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সেই একই মানের চাল প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। এসব ব্র্যান্ডের চাল অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুপারশপে বেচাকেনা হয়। অধিদপ্তর সুপারশপগুলো থেকেই তথ্য সংগ্রহ করেছে। তাতে দেখা গেছে, মিনিকেট চালে ১৪ থেকে ৩৩ শতাংশ এবং চিনিগুঁড়া চালে ২১ থেকে ২৯ শতাংশ মুনাফা করছে সুপারশপগুলো। একইভাবে লবণে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ এবং ইলিশ মাছে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করছে।

সফিকুজ্জামান বলেন, সুপার প্রিমিয়ামের নামে ৫২ টাকার চাল বিক্রি করছে ৮৮ টাকায়। কে কত টাকা লাভে পণ্য বিক্রি করছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুপারশপগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, প্যাকেটজাত পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) সুপারশপগুলো নির্ধারণ করে না; বাজারজাতকারী ব্র্যান্ডগুলোই তা নির্ধারণ করে। ফলে বাড়তি দামের দায় তাঁদের নয়। নিয়ম অনুযায়ী তাঁরা মুনাফা করছেন।

স্বপ্ন সুপারশপের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার তানিম খান বলেন, অতিরিক্ত নয়, বাজারের প্রচলিত নিয়মেই মুনাফা করা হচ্ছে।

মিনিকেট চাল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বলেছে, মিনিকেট বলতে কোনো চাল নেই। এ বিষয়ে অধিদপ্তর মাঠে নামবে। তবে মোটা চালের ভোগের পরিমাণ বাড়লে মিনিকেট নামের চালের প্রতারণা কমবে।

এদিকে আজ বুধবার সাবান, ডিটারজেন্ট, পেস্টসহ জাতীয় পণ্যের দাম অধিক হারে বাড়ল কেন তা জানতে এসব পণ্যের উৎপাদক ও বাজারজাতকারীদের নিয়ে আরেকটি সভার আয়োজন করেছে অধিদপ্তর।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office