অর্থনীতি ডেস্ক | সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ৯৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
নিজের প্রয়োজনে একজন আরেকজনকে অর্থ পরিশোধ করেন। সশরীরে পরিশোধের পাশাপাশি এখন অনলাইন থেকে অর্থ পরিশোধেরও সুযোগ মিলছে। ব্যবসায়িক পরিশোধের পাশাপাশি গ্রাহক পর্যায়েও আন্তঃব্যাংক এটিএম, পস বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে লেনদেন দ্রুত বাড়ছে। এক ব্যাংকের বুথ থেকে আরেক ব্যাংকের গ্রাহকের টাকা উত্তোলনও করছেন অনেকে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্থাপিত ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ব্যবস্থায় এক ব্যাংকের গ্রাহক আরেক ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন বা পরিশোধ করতে পারেন। ব্যাংকগুলোর মোট লেনদেনের যা খুব সামান্য। ব্যক্তি পর্যায়ের এসব লেনদেনের বাইরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরটিজিএস, বিএসিপিএস ও বিইএফটিএনের মাধ্যমে আন্তঃব্যাংকে প্রতি মাসে গড়ে ৭ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার মতো পরিশোধ হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক ব্যাংকের গ্রাহক আরেক ব্যাংকের গ্রাহককে পরিশোধ করেছেন ৪ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে এ ক্ষেত্রে ২ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা পরিশোধ হয়। এর মানে ডিসেম্বরের তুলনায় এ উপায়ে পরিশোধ বেড়েছে ১ হাজার ৯১০ কোটি টাকা বা ৭৫ শতাংশ। অবশ্য আগের মাস জুনের তুলনায় আন্তঃব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ কম হয়েছে। আগের মাসে এ উপায়ে ৪ হাজার ৫২২ কোটি টাকা পরিশোধ হয়।
জুলাইয়ে এক ব্যাংকের গ্রাহক আরেক ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে ৪ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। আগের মাস জুনে উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা। আগের মাসের তুলনায় উত্তোলন বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আর গত ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়েছে ৫১ দশমিক ৫০ শতাংশ। গত ডিসেম্বরে অন্য ব্যাংকের বুথ থেকে উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। নিজ ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে কোনো খরচ হয় না। তবে এক ব্যাংকের গ্রাহক আরেক ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনে ১৫ টাকা করে দিতে হয়। এর পরও সুবিধাজনক জায়গা থেকে টাকা উত্তোলনের সুবিধার্থে অন্য ব্যাংকের বুথ ব্যবহার বাড়ছে।
এক ব্যাংকের গ্রাহক আরেক ব্যাংকের পিওএস (পয়েন্ট অব সেলস) ব্যবহার করে জুলাইয়ে ২৬৫ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করেছেন। আগের মাস জুনে যা ছিল ২৩২ কোটি টাকা। আর গত ডিসেম্বরে ছিল ২৪৭ কোটি টাকা।