জাতীয় ডেস্ক | মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩ | প্রিন্ট | ২৩৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
আসন্ন পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি না মানলে প্রার্থিতা বাতিল করে দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীতে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
পাঁচ সিটি ভোটে অনেকে আচরণ বিধি মানছে না, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোয়া চাচ্ছেন এ বিষয়ে বার্তা কী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বার্তা হলো যারা দোয়া চেয়েছেন তারা অনেকেই প্রার্থী না। কিসের দোয়া চেয়েছেন সেটা তো লেখা নাই। যারা নমিনেশন নেবেন এবং জমা দেবেন তারপর বোঝা যাবে। রিটার্নিং অফিসার যিনি আছেন তার লোকবল অল্প, তিনি অনেকগুলো প্রচার সামগ্রী উঠিয়ে নিয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ যেদিন হয়, সেদিন থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়। সেদিন থেকে অফিসিয়ালি আচরণ বিধি না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার আগে এখন যেটা করছেন আমাদের কর্মকর্তারা, সেটা অনেকটা মোটিভেশনাল।
আচরণ বিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে পাঁচজনের বেশি লোকবল আনা যায় না নমিনেশন পেপার জমা দেওয়ার সময়- এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের আইনে আছে শোডাউন করা যাবে না। কিন্তু আমাদের কালচারটা হলো শোডাউনের। একটা কালচার তো একদিনে পরিবর্তন হয় না। এজন্য আমাদের যে নিয়ম রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলা আছে, কোনো রকম শোডাউন করে যেন কেউ না আসে, অন্তত যখন নমিনেশন পেপার জমা দিতে আসবেন, তখন যেন শোডাউন না করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রার্থীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যে আপনারা শোডাউন করবেন না। শোডাউন করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে এবং এমনও হতে পারে যে শোডাউনের বিষয়টি যদি কোনো প্রচারমাধ্যমে আসে নির্বাচন কমিশনের তো একটা ক্ষমতা আছে। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে যে তারা এখানে আসলেই অন্যায় করেছে, তাহলে কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে। সে ক্ষমতা ইসির আছে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টি নির্ভর করবে অপরাধের মাত্রার ওপর। সামান্য একটা অপরাধের জন্য তো আর কাউকে ফাঁসি দিতে পারেন না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আপনাদের বার্তা কী থাকবে-এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অলরেডি যারা প্রধান আছেন, তাদের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা কথা বলেছেন। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন। যত রকম সহযোগিতা দরকার হয়, উনারা করবেন বলেছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে তারা মাঠে নেবে যাবে।
তিনি বলেন, এবার আমরা চিন্তা করছি যে, প্রতীক বরাদ্দের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটিং করে ফেলবো, যাতে প্রার্থীরা আচরণ ভঙ্গ করতে না পারেন। প্রার্থীরা মাঠে ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে পারবেন। তবে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে প্রচার চালাতে পারবেন না।