শিরোনাম
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি গত পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি শরীফপুর ইউনিয়নে শামছুল হকের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এমন সন্তানের ফাঁসি হলেও আমি কষ্ট পাব না

ডেস্ক রিপোর্ট   |   সোমবার, ১১ জানুয়ারি ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ২৫৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

মায়ের কান্না। প্রতীকী ছবি (সংগৃহীত)

‘এমন সন্তানের ফাঁসি হলেও আমি কষ্ট পাবো না। তার অত্যাচারে সংসার সাজানো তো দূরের কথা বরং কয়েক দফা ভাঙার উপক্রম হয়েছিল। তারপরও সব সহ্য করেছি, সে আমার সন্তান বলে। আজ সে নিজেও সংসার করেছে। তারও সন্তান আছে। বসবাসও করছে আলাদা। তারপরও তার লোভী চোখ আমার আরেকটি সন্তান আশরাফ আলীর জীবন কেড়ে নিতে চেয়েছিল। জানিনা এ সন্তানটি আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে কিনা। আমি এমন পাষণ্ড সন্তানের শাস্তি চাই। আর কোনো মায়ের গর্ভে এমন সন্তানের যেন জন্ম না হয়।’

আবেগাপ্লুত হয়ে সম্প্রতি জলঢাকায় আহত ছেলের পাশে বসে এসব কথা বলছিলেন আশরাফ মাস্টারের মা জোলেখা বেগম (৭০)।

জোলেখা বেগম আরও বলেন, আমার আটজন সন্তান। ছয়জন ছেলে ও দুইজন মেয়ে। আমার ওই পাষণ্ড ছেলের নাম জহরতুল্লাহ (৪৮) এবং যে ছেলেকে তারা নির্দয়ভাবে পিটিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিল তার নাম আশরাফ আলী (৪২)।

আশরাফ একটি কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি বর্তমানে জলঢাকা উপজেলা সদরে বসবাস করছে। তার অপরাধ সে নিজের জমিতে কাঁচাঘর ভেঙে পাকা দোকানঘর নির্মাণ করছে।

আশরাফের স্ত্রী সেলিনা বেগম বলেন, প্রায়ই জহরতুল্লাহ ও তার তিন সন্তান আমার স্বামীর গায়ে হাত তুলে থাকে। সম্মানের জন্য লজ্জায় আমার স্বামী এসব কথা বাইরে কিংবা আইনি আশ্রয় নেয়নি। তারপরও ৯ নভেম্বর তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমার স্বামী ডিমলা থানায় একটি অভিযোগ দেয়।

তিনি বলেন, জলঢাকা হতে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। পরদিন ডিমলার চাপানীবাজারে কাজ করতে থাকা মিস্ত্রি আমার স্বামীকে মোবাইল ফোনে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ামাত্রই আমার স্বামীর ওপর তারা আকস্মিকভাবে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আমার স্বামীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। ২৪ দিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরি। ডাক্তার বলেছেন তার স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে অনেক সময় লাগবে।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীকে যারা নির্দয়ভাবে পঙ্গুত্বের দিকে নিয়ে গেল আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, এ মামলায় একজন আসামি পলাতক রয়েছে। বাকিরা জামিনে আছে। দ্রুতই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office