শিরোনাম
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি গত পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি শরীফপুর ইউনিয়নে শামছুল হকের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কটিয়াদীতে নৌকায় প্রকাশ্যে সিল মারা নিয়ে সংঘর্ষ, দুই ঘণ্টা ভোট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক:   |   রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৫১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত দুই ঘন্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে উত্তর চর পুখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে নৌকার পক্ষে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনায় অন্তত দুই ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সকাল সাড়ে আটটার দিকে প্রথমে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. খালেক সরকারের সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে কেন্দ্রে হামলা চালান। পরে বুথে গিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেন এবং প্রকাশ্যে সিল মারতে থাকেন। দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমানের সমর্থকেরা প্রতিরোধ করতে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভোট গ্রহণ শুরু হয় ঠিক সকাল আটটায়। তখন প্রতিটি বুথের সামনে লম্বা সারি। ভোটাররা ব্যালট পেপার হাতে বুথে ঢুকতেই নৌকার একজন প্রতিনিধি সহযোগিতার নামে নৌকায় ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করছিলেন। এ নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে হইচই হয়। সাড়ে আটটার দিকে শতাধিক নৌকার সমর্থক লাঠিসোঁটা নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে ৬ ও ৭ নম্বর বুথে ঢুকে সিল মারতে শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

kishorganj

দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত দুই ঘন্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল ছবি: সংগৃহীত

নৌকায় সিল মারা হচ্ছে, এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাবিবুর রহমানের সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হলে ভোটাররা কেন্দ্র থেকে চলে যান। খবর পেয়ে কেন্দ্রটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। সকাল ১০টার কিছু পর থেকে আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া বলেন, ‘ঝামেলার খবর পেয়ে কেন্দ্রে যাই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসি। আমার উপস্থিতিতেই আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়।’

বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে কেন্দ্র দখলের চেষ্টায় ছিলেন নৌকার সমর্থকেরা। আমরাও প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। শুধু উত্তর চর পুখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র নয়, অন্য সব কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে নৌকার সমর্থকেরা প্রভাব বিস্তার করে আছেন। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারছেন না।’

অভিযোগের বিষয়ে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. খালেক সরকার বলেন, কেন্দ্রটি থেকে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন। এ সত্য বিদ্রোহী হাবিবুর রহমান সমর্থকদের জানা। সে কারণেই পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে স্বাভাবিক ভোট গ্রহণে বাধার সৃষ্টি করেছেন তাঁরা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office