শিরোনাম
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললেও কাটেনি অনিশ্চয়তা দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে এনবিআর গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সম্পাদক মখলিছুর রহমান নির্বাচিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও গ্যাস অনুসন্ধানে নরওয়ের সহায়তা চাইলেন স্পিকার চট্টগ্রামে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এলডিসি উত্তরণে সিদ্ধান্তের মতোই ব্যতিক্রমী কৃতিত্ব দেখাতে হবে : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাতে কর্মজীবনে প্রতিফলিত না হয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ

গাজা থেকে সেনা সরিয়ে নিতে রাজি ইসরায়েল: ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক:   |   রবিবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ১২১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘ প্রায় দুই বছর আগ্রাসন চালানোর পর অবশেষে ভূখণ্ডটি থেকে নিজেদের কিছু সেনা সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। এখন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস তাদের পক্ষ থেকে শর্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নিলেই তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

শনিবার (৪ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এমনই ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।

সম্প্রতি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া ২০ দফা প্রস্তাবের কিছু অংশ মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। স্বাধীনতাকামী সংগঠনটির এমন ঘোষণার পর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধে নতুন আরেক অগ্রগতির কথা জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে হোয়াইট হাউস গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিল। ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহারের বিভিন্ন সীমারেখা দেখানো হয় সেখানে।

ট্রাম্প জানান, এই সীমারেখার মধ্যেই ইসরায়েল প্রাথমিক ধাপে কিছু সেনা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে। হামাস নিশ্চিত করলেই যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ না নিলে সব চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে বলেও হুঁশিয়ার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বিবিসি ভেরিফাইয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী প্রথম ধাপে সেনা প্রত্যাহারের পরও গাজার প্রায় ৫৫ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থেকে যাবে।

এদিকে খুব শিগগিরিই গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তির ঘোষণা দিতে পারবেন, এমন আশা প্রকাশ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেছেন, কূটনৈতিক ও সামরিক চাপে ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে নেওয়া ছাড়া হামাসের কাছে অন্য কোনো বিকল্প নেই। দ্রুতই উপত্যকাটি থেকে হামাসের শাসনের সমাপ্তি ঘটানো হবে। এ সময় হামাসকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন নেতানিয়াহু।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিগিগিরই মিশরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বন্দি বিনিময় এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসবে দুই পক্ষ। মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনারও বৈঠকে অংশ নেবেন।

তবে, হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হামলা ও হত্যাযজ্ঞ এখনও চলছে। ফ্লিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং দুই বছরের এই হত্যাযজ্ঞ ও অবরোধ অবিলম্বে বন্ধ করার অনুরোধ করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিদের্শ উপেক্ষা করে গাজায় এখনও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। সবশেষ একদিনে আরও ৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও গাজার বেসামরিক এলাকা ও শরণার্থী শিবিরগুলোতে একদিনেই ৯৩টি বিমান হামলা চালিয়েছে নেতানিয়াহু বাহিনী।

 

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office