শিরোনাম
১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু: ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি

গুচ্ছের পক্ষে কথা বলায় জবি অধ্যাপককে হেনস্তা

শিক্ষা ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৩৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

গুচ্ছের পক্ষে কথা বলায় জবি অধ্যাপককে হেনস্তা

সংগৃহীত ছবি

সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) থাকবে কি থাকবে না- এ বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) ৬৫তম এ বিশেষ একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গুচ্ছ থেকে বের হয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে সভায় গুচ্ছের পক্ষে কথা বলায় এক অধ্যাপককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদের সভা চলাকালীন উত্তেজিত হয়ে দাঁড়িয়ে সামনের টেবিলে দুই হাত দিয়ে জোরে চাপড় দেন। এরপর বলেন, গুচ্ছে কেন থাকব না। এর কারণ লিখিত আকারে দেওয়া হোক। ওইসময় সভার প্রায় সকল শিক্ষক জোরে হট্টগোল শুরু করে দেন। এরপর কিছু সিনিয়র অধ্যাপক আব্দুল কাদেরকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। এরপর জোর করে চেয়ারে বসিয়ে দেন।

এ বিষয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদের বলেন, আমরা সবার সম্মতি নিয়েই গুচ্ছে এসেছিলাম। কিন্তু এখন আমরা কোন কোন কারণগুলা দেখিয়ে গুচ্ছ থেকে বের হবো, তা লিখিতভাবে সভার রেজুলেশনে যুক্ত করতে বলেছিলাম। গুচ্ছ থেকে বের হলাম- শুধু এটুকু লিখলেই তো বের হওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, আমি এসব কথা বলার সময় সংসদের মতো টেবিলে চাপড় দিলে কিছু শিক্ষক আমার দিকে তেড়ে আসে। এক পর্যায়ে তারা আমাকে শারিরীকভাবেও হেনস্তা করে।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম লুৎফর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষকদের মতামতের প্রেক্ষিতেই গুচ্ছ থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে অধ্যাপক আব্দুল কাদের গুচ্ছের পক্ষ নিয়ে সকল সিনিয়র শিক্ষকের সামনে টেবিল চাপড়িয়ে খুবই উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তখন কয়েকজন শিক্ষকরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। এর বাইরে কিছু হয়নি।

এদিকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে উপাচার্যকে আহবায়ক, রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব ও ট্রেজারারসহ বাকি ৬ ডিনকে সদস্য করা হয়েছে। এছাড়া তিন ইউনিটের পরীক্ষার জন্য আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এরআগে গত ৩ এপ্রিল গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষার জন্য মানববন্ধন শেষে উপাচার্যের কক্ষ ঘেরাও করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক সমিতিসহ বাকি শিক্ষকরা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office