শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রমজানের শুরুতেই ফলের দাম চড়া কলকাতার বাজারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১১৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহীত ছবি

রমজানে ইফতারের অন্যান্য পদের সঙ্গে সুস্বাদু ও সতেজকারী বিভিন্ন ফল খেতে পছন্দ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা। কিন্তু এবছর সেই ফলের বাজারেই কি না আগুন! কলকাতাসহ পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতেও বাড়তি দামে ফল কিনতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তো বটেই, বিপাকে পড়েছেন নিম্মবিত্ত ও মধ্যবিত্ত হিন্দু পরিবারের লোকজনও।

শুক্র ও শনিবার কলকাতা ও আশপাশের কয়েকটি জেলার বাজার ‍ঘুরে দেখা যায়, ডজনপ্রতি কলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ রুপিতে, যা আগে ছিল ৩০ থেকে ৪০ রুপি। প্রতি কেজি বেদানা ২৬০ থেকে ৩১০ রুপি, প্রতি কেজি পাকা পেঁপে ১০০ থেকে ১১০ রুপি, প্রতি পিস বাতাবি লেবু ২৫ থেকে ৩০ রুপি ও প্রতি কেজি আঙুর ১২০ থেকে ১৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, যে খেজুর ছাড়া ইফতার ভাবাই যায় না, সেই খেজুর এখন জায়গাভেদে প্যাকেটপ্রতি ৭০০ থেকে ১০০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ইফাতারের জন্য আরেকটি জনপ্রিয় ফল তরমুজের কেজি ৭০ থেকে ১০০ রুপি হয়েছে। তবে কিছু বাজারে তরমুজ পিস হিসাবে বিক্রি হচ্ছে, দাম রাখা হচ্ছে আকার অনুযায়ী।

শনিবার কলকাতার পাইকারি ফলের বাজার ‘মেছুয়া’ যা ফলপট্টিতে যাই এ প্রতিবেদক। সেখানে ফল কিনতে আসা শুভদীপ বর্মনের অভিযোগ, পাইকারি বাজারেই ফলের যা দাম, তাতে খুচরা বিক্রি করবো কীভাবে বুঝতে পারছি না। শুধু মুসলমানরা নয়, ফলের ওপর নির্ভরশীল বহু বৃদ্ধ রোগী ও শিশুরাও এর ভুক্তোভোগি হচ্ছে।

কলকাতার পার্শ্ববর্তী শহর বেলঘড়িয়ার বাসিন্দা সেলিম সর্দার বলেন, রোজা রেখেও দিন মজুরের কাজ করি। কুলির কাজ করেই আমার সংসার চলে। সারা বছর ফল তেমন ফল না খেলেও, রমজানে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো ফল খাই। আর এ সুযোগ সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যবসায়ী প্রতিবারই ফলের দাম বাড়িয়ে দেন। তবে এবার দাম এতই বাড়তি যে, পরিবারের সবার জন্য নিয়মিত ফল কেনাটা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।

কলকাতার গরিয়া এলাকার বাসিন্দা জাকির মোল্লা বলেন, শনিবারের ইফতারের জন্য বাজারে ফল কিনতে গিয়েছিলাম। দেখি, মানভেদে প্রতি কেজি আপেল বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৬০ রুপিতে। অথচ গত বছর এ দাম ছিল ১০০ থেকে ১৩০ রুপির মধ্যে। রমজান এলেই কলকাতায় ফলের দাম বেড়ে যায়, আর আমাদের মতো নিম্নবিত্তরা বিপদে পড়ে।

দামবৃদ্ধি নিয়ে মেছুয়া বাজারের পাইকারি ফল বিক্রেতা সুরেন্দ্রার যাদবের দাবি, পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তাছাড়া রমজানে ফল ও সবজির দাম একটু বেশিই থাকে।

এদিকে, রমজানে ফলের কালোবাজারি রুখতে কলকাতাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর ফলের বাজারে অভিযান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ। কোনোক্রমেই যাতে অতিরিক্ত দামে ফল বিক্রি না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে বিক্রেতাদের।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office