শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০১১ সালের ১৭ জুলাই রাতে আমিনবাজারে যা ঘটেছিল

অনলাইন ডেস্ক:   |   বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৫২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

আমিনবাজারে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছেন আদালত ফাইল ছবি

২০১১ সালের ১৭ জুলাই পবিত্র শবে বরাতের রাতে সাত বন্ধু ঘুরতে গিয়েছিলেন ঢাকার অদূরে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী গ্রামে। দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সাত ছাত্রকে ডাকাত বলে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। এতে ছয় ছাত্র মারা যান। একজন প্রাণে বাঁচেন। ১০ বছর আগের এই হত্যা মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছেন ঢাকা জেলার দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ ইসমত জাহান। রায়ে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সেদিনের ঘটনায় শামস রহিম, তৌহিদুর রহমান, ইব্রাহিম খলিল, কামরুজ্জামান, টিপু সুলতান ও সিতাব জাবির প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান আল-আমিন। ২০১৬ সালে তিনি আদালতে সাক্ষ্য দেন। আদালতে আল-আমিনের দেওয়া সাক্ষ্য দেওয়া সেদিনের ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায়।

আল-আমিন ২০১৬ সালের মে মাসে বলেছিলেন, ২০১১ সালের ১৭ জুলাই পবিত্র শবে বরাতের রাতে তিনিসহ সাত বন্ধু দারুস সালাম এলাকার একটি মসজিদে নামাজ পড়তে যান। নামাজ পড়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁরা মসজিদ থেকে বের হন। দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাঁরা বিরিয়ানি খেতে গাবতলীর দিকে যান। কিন্তু বিরিয়ানি না পেয়ে তাঁরা হাঁটতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা হাঁটতে হাঁটতে আমিনবাজারের বড়দেশী গ্রামে পৌঁছান। রাত সোয়া একটার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে তাঁরা এলাকাটির একটি কুঁড়েঘরে আশ্রয় নেন। আচমকা একদল লোক ডাকাত বলে তাঁদের ওপর হামলা চালায়।

আল-আমিন বলেছিলেন, ‘হঠাৎ একদল লোক আমাদের চোখে টর্চলাইট ধরে জানতে চায়, আমরা কোথা থেকে এসেছি। আমরা ছাত্র পরিচয় দিয়ে দারুস সালাম থেকে ঘুরতে এসেছি জানালে তারা আমাদের বলে, “তোরা ডাকাত”। এরপর সবাই আমাদের মারতে শুরু করে।’

আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে আল-আমিন বলেছিলেন, বাঁচার আকুতি জানালেও আসামিরা তাঁদের মারধর করেই যাচ্ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ডাকাত নই, আমরা ছাত্র—এটা বলার পরও আসামিরা আমাদের ছাড়েনি। আমাদের মারধর করেছে।’

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office