খেলা ডেস্ক | সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ১১৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার কে জিতবেন তা নিয়ে বিতর্ক ছিল। ক্রোয়েশিয়ার লিভাকোভিচ, মরক্কোর ইয়াসিন বোনো, ফ্রান্সের হুগো লরিস ছিলেন দৌড়ে। কিন্তু তাদের ছাপিয়ে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আর্জেন্টিনার ফাইনালে উঠা ও বিশ্বকাপ জেতার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তার। তবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের রাত পেরোনোর আগেই নিজেকে বিতর্কে জড়ান মার্টিনেজ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অ্যাস্টন ভিলার এই গোলরক্ষক তার গোল্ডেন গ্লাভসটি নিজের তলপেটে চেপে ধরেন। পরে পুরস্কারটি মাথার ওপরে তুলেও নাড়াতে দেখা যায়। যা নিয়েই শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। বিষয়টি ভালো ভাবে নিতে পারেনি ফুটবল বিশ্ব। মার্টিনেজের এমন কুৎসিত উদযাপনে তাকে সমালোচনায় ভরিয়ে দিচ্ছেন সকলে।
যদিও এসব বিতর্ক নিয়ে মোটেও মাথা ঘামাচ্ছেন না মার্টিনেজ। জয়ের আনন্দ উদযাপন করছেন তিনি। মার্টিনেজ বলেন, খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছি আমি। এই জয় পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই। পেনাল্টি শুটআউটে শান্ত থাকাই আমার স্ট্র্যাটেজি ছিল। জানতাম, শান্ত থাকতে পারলে সেভ করে পারবো।’
টাইব্রেকারে পেনাল্টি সেভ করার আসল রহস্যও তিনি উন্মোচন করেছেন। ঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি পেনাল্টির সময় মাথা ঠাণ্ডা রেখেছিলাম। ওরা ম্যাচে ৩টি শটে গোল করেছে। কিন্তু তার পরও আমি নিজেকে ঠাণ্ডা রেখেছিলাম। জানতাম, শান্ত থাকতে পারলে ঠিক সেভ করে দেব।’
ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন এমি। তিন গোল খেলেও তার দুটি ছিল পেনাল্টি থেকে, যাতে তার দায় নেই। অন্য গোলটিও বক্সের মুখ থেকে এতো জোরে এমবাপ্পে মারেন যে ফেরানোর সুযোগ পাননি তিনি। তবে ম্যাচে মার্কোস থুরাম ও কোলো মোয়ানির দুটি ভালো শট ফেরান অ্যাস্টন ভিলায় খেলা এমি। আর ফাইনাল ম্যাচে টাইব্রেকারে দুটি দুর্দান্ত শট ফিরিয়েছেন। এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে দলকে জিতিয়ে নায়ক বনে যান তিনি। ওই ম্যাচেও দুই শট ফেরান তিনি। এমির গোল্ডেন গ্লাভস না জেতা তাই হতো অবাক করার মতো।