খেলা ডেস্ক | মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২ | প্রিন্ট | ১৪১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
আগেরদিনের করা পাঁচ উইকেটে ২৭৭ রান নিয়ে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। রাজিথার করা দিনের চতুর্থ ওভারে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আগের দিনের আধিপত্যের বার্তাই দেন মুশফিক। কিন্তু নিজের পরের ওভারেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান এ ডানহাতি পেসার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে ৩৬৫ রানে।
ইনিংসের ৯৩তম ওভারের স্লিপে দাঁড়ানো কুশল মেন্ডিসের হাতে ধরা পড়ে যান লিটন। তবে ২৪৬ বলে ১৬ চার ও এক ছয়ে সাজানো ১৪১ রানের ইনিংসটি তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।
লিটনের বিদায়ের ভেঙেছে ২৭২ রানের জুটি। বাংলাদেশের পক্ষে ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি এটি। সবমিলিয়ে এর চেয়ে বেশি রানের জুটি আছে কেবল দুইটি। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫৯ রানের জুটি গড়েন মুশফিক ও সাকিব আল হাসান। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবালের উদ্বোধনী জুটি ছিল ৩১২ রানের।
তবে এদিনও বুক চিতিয়ে লড়ে গেছেন মুশফিকুর রহিম। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের আরেকটি দেড়শ রানের মাইলফলক। শেষ পর্যন্ত মিস্টার ডিপেন্ডেবল অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রানে।
বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দেড়শ রানের মালিক আগে থেকেই ছিলেন মুশফিকুর রহিম। চলতি মিরপুর টেস্টের আগেই তার নামের পাশে ছিল চারটি দেড়শো রানের ইনিংস। এবার সেটিকে পাঁচে উন্নীত করলেন টাইগারদের এ অভিজ্ঞতম ব্যাটার।
আগের দিন লঙ্কান পেসার কাসুন রাজিথা ও আসিথা ফারন্যান্ডো সাতসকালেই গুড়িয়ে দেন টাইগার টপ লাইনআপ। এদিন রানের খাতা না খুলেই বিদায় নেন দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও তামিম ইকবাল।
অন্যদের মধ্যে যাদের রানের চাকা ঘোরেনি তারা হলেন- সাকিব আল হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন, খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেনের।
কাসুন রাজিথা পাঁচটি ও আসিথা ফারন্যান্ডো নিয়েছেন চারটি ইউকেট।