খেলা ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ৮৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
বাংলাদেশের টি-২০ দলকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে সাহসী ক্রিকেট খেলার। ব্যাটারদের পাওয়ার হিটিং করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু মাঠে নেমে ব্যর্থ ক্রিকেটাররা। শট খেলার চেষ্টাও করছেন না তারা। বরং উইকেট বিলিয়ে ফিরছেন।
ইনজুরিতে থাকা বাংলাদেশ দলের ওপেনার লিটন দাস সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশের উইকেটে নেমেই ১৪০ স্ট্রাইক রেটে খেলার মতো ব্যাটার নেই। তবে বলে বলে রান করার অনেকে আছেন। বিশেষ প্রতিবেদক সেকান্দার আলীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরা হলো:
টি২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কেমন করতে পারে?
লিটন: অনেকে নেতিবাচক মনে করতে পারেন। রেটিংয়ে দেখলে টি২০-তে আমরা অনেক পিছিয়ে। আমরা ১৬০ বা ১৫০ রানের উইকেটে খেলি। এ রকম স্কোর আমাদের জন্য তাড়া করার মতো। ১৬০ থেকে ১৬৫ রান হলেও তাড়া করতে পারব। ১৮০ বা তার চেয়ে বেশি তাড়া করা কঠিন। এই কারণে কঠিন, আমাদের হাতে এমন কোনো ব্যাটার নেই, যিনি কিনা ১৫০ স্ট্রাইকরেটে নিয়মিত ব্যাটিং করেন। এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে।
আমরা খুব কম সময়ই বড় বড় মাঠে খেলি। অস্ট্রেলিয়ার মাঠগুলো অনেক বড়। আমি খেলিনি, টিভিতে দেখেছি এবং মানুষের কাছে শুনেছি। অবশ্যই আমরা ভালো খেলার জন্য লড়ব। স্কিলে অনেক উন্নতি আনতে হবে। যে ক’মাস আছে, এ সময়ে পাওয়ার হিটিং না করে স্কিল নিয়ে কাজ করলে লাভ হবে।
দু-একজন ব্যাটারই টি২০ গেম পরিবর্তন করে দেন। গতকাল (মঙ্গলবার) যেমন নাজিবুল্লাহ করলেন। বাংলাদেশ দলের গেম চেঞ্জার কে হতে পারেন?
লিটন: আমাদের হাতে ওই রকম ব্যাটারই নেই যে নামার সঙ্গে সঙ্গে ১৪০-এর ওপরে স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করতে পারেন। যে রেকর্ডই নেই, সেখানে আশা করা যায় না যে নেমেই বড় শট খেলবে কেউ একজন। যাঁর যেমন সামর্থ্য, তিনি সেটাই করবেন। নাজিবুল্লাহ পাওয়ার হিটিং করে অভ্যস্ত।
গত ম্যাচে সেটাই করেছেন। মাঝের একজন ৪০ বলে ৪২ রান করেছেন সম্ভবত। এই রোলটা আমাদের দলের অনেকে প্লে করতে পারবেন। কিন্তু ১৭ বলে ৪০ হবে ওই রোলটা কে প্লে করবেন। সত্যি বলতে, এ রকম ক্রিকেট আমরা খেলি না, নেমেই প্রথম বল থেকে মারব।
পাকিস্তানের বিপক্ষে হার্দিক পান্ডিয়া কী করলেন? গেম বদলে দিলেন তিনি। এ রকম ব্যাটারের অভাব আমাদের। এ রকম ব্যাটার এক-দু’দিনে পাবেন না। হার্দিক পান্ডিয়া এক-দু’দিনে হয়নি। অনেক দিন খেলে তৈরি হয়েছে। ম্যাচে নামার সময় যে ইনফো স্ট্ক্রিনে দেখায়, সেটাই হলো একজন ব্যাটারের ক্যারেক্টার। এর থেকে বেশি কিছু করতে গেলে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। যা আছে একটু ঘষামাজা করে গেলে ভালো কিছু হতে পারে।